Posts

Showing posts from April, 2020

শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় মা-বাবার ভূমিকা :

শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় মা-বাবার ভূমিকা শিশুর পরিপূর্ণ মানসিক বিকাশের জন্য মা-বাবাকেই নিতে হবে সবচেয়ে বড় উদ্যোগ। মা-বাবা ছাড়া শিশুর চারপাশের পরিচিত মানুষরাই তার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে মা-বাবার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রধান কারণ মা-বাবা সন্তানের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটান, তাদের নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসেন, সর্বদা তাদের মঙ্গল কামনা করেন এবং অন্যদের চেয়ে ভালোভাবে তাদের বুঝতে পারেন। তাই সন্তানরাও মা-বাবার ওপর ভরসা ও নির্ভর করে। শিশুরা অনেক সময় তাদের বন্ধুবান্ধব ও ভাই-বোনের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখে। তবে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, অন্য শিশুর কাছ থেকে শেখার চেয়ে বড়দের সহযোগিতার মাধ্যমে কোনো কিছু শিখলে শিশুদের বিকাশ বেশি হয়। বর্তমান যুগে পরিস্থিতি অনেক সময় এমন হয়ে যায় যে মা-বাবা দুজনকেই জীবিকার জন্য কাজে বের হতে হয়। ফলে শিশুকে দেওয়ার মতো যথেষ্ট সময় তাঁদের থাকে না। অনেকেই নির্ভর করেন কাজের মানুষের ওপর। এ জন্য যতটুকু সময়ই তাঁরা শিশুর কাছে থাকতে পারেন, সে সময়টাকে মানসম্মত করে তুলতে পারলে সেটা শিশুর বিকাশে অনেক অবদান রাখতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, শিশুর মৌলিক চাহিদাগ...
এস.এ প্রি-ক্যাডেট এন্ড জুনিয়র হাইস্কুল শিক্ষকদের জন্য নিয়ম-কানুন স্কুলের ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা অবশ্যই বজায় রাখতে সদা সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। ক্লাশে কোনোভাবেই দেরি করা যাবে না। স্কুলের পড়া অবশ্যই স্কুলে আদায় করা সকল শিক্ষকের নৈতিক দায়িত্ব। শ্রেণী পাঠদান কাজে পাঠপরিকল্পনা ও শিক্ষা উপকরণ যথাযথ ব্যবহার বাধ্যতামূলক কাজের সুবিধার্থে ডাইরী ব্যবহার বাধ্যতামুলক সহ-পাঠক্রমিক কার্য্যক্রমে বাধতামুলক অংশগ্রহন
অভিভাবকদের  জ্ঞাতার্থে ১।  নির্ধারিত সময় সূচী অনুযায়ী আপনার সন্তানকে বিদ্যালয়ের নির্ধারিত ও পরিচ্ছন্ন পোশাকে শিক্ষা উপকরণাদি সহ বিদ্যালয়ে পাঠাবেন । ২।  হাত ও পায়ের নখ কাটা,দাঁত পরিস্কার রাখা, চুল কাটা ও আঁচড়ানো, চোখ মুখ পরিস্কার ইত্যাদির প্রতি দৃস্টি রাখবেন । ৩।  নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপনার সন্তানের মাসিক বেতন, পরীক্ষার ফি পরিশোধ করবেন। ৪।  প্রতিদিনের ক্লাস পারফরমেন্স  সম্পর্কে অবগত থাকবেন। ৫।  শিক্ষার্থীর বিদ্যালয় থেকে বাসায় ফেরার পর ক্লাস ওয়ার্ক, হোম ওয়ার্ক ও ডায়েরী প্রতিদিন দেখবেন। ৬।  শিক্ষার্থী যেন প্রতিদিন ক্লাসে পড়া ভালোভাবে পারে এবং হোম ওয়ার্ক গুলো যথাযথ ভাবে তৈরি করে ক্লাসে আসে সে ব্যাপারে সব সময় সজাগ থাকবেন। ৭।  শিক্ষার্থী যদি ক্লাসে ঠিকমত পড়া না পারে অথবা বুঝতে না পারে তাহলে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করে সমস্যা সমাধানের চেস্টা করবেন। ৮।  আপনার সন্তানের লেখাপড়া সংক্রান্ত ব্যাপারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ একান্ত কাম্য। ৯। শারীরিক অসুস্থতার কারণে আপনার সন্তান পরীক্ষা দিতে অসমর্...
লকডাউনে = পারিবারিক অশান্তি বর্তমান করোনা পরিস্থিতি আমাদের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। দুঃসময় চলছে জনজীবনে। এমন পরিস্থিতিতে ধৈর্য আর সচেতন হতওয়া ছাড়া আমাদের কিছুই করার নেই। করোনার বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনে জরুরি পরিষেবার মতো পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্র বিশেষে বাইরে যাওয়ার অনুমতি মিলেছে কিন্তু অন্যরা সবাই গৃহবন্দি। আর এই লকডাউনের কারণে একদিকে যেমন বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি তেমনই বাড়ছে দাম্পত্য কলহ। শুধু মহিলারাই নয়, হিংসার শিকার হচ্ছে বাড়ির ছোটরাও।  করোনাভাইরাসের জন্য বিশ্বজুড়ে বিবাহবিচ্ছেদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। যেমন চীনের কথাই ধরা যাক। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত মাসে দেশটি প্রত্যক্ষ করেছে সর্বোচ্চ বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা। আর তুরস্কের দিকে তাকালেও ঠিক একই ধরনের চিত্র ফুটে উঠে।  ডিভোর্স আইনজীবীদের তথ্যানুযায়ী, লকডাউনের পর থেকে দেশটিতে বিবাহবিচ্ছেদের সংখ্যা প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দুবাইয়েও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে খবরে প্রকাশ পেয়েছে।